লবঙ্গ উপকারিতা ও অপকারিতা

লবঙ্গ বা লং আমরা মসলা হিসাবে ব্যবহার করি। কিন্তু মসলা হিসাবে ব্যবহার করা ছাড়াও এর আরো বহুবিধ উপকারিতা রয়েছে। সবুজ লবঙ্গ গাছের ফুল থেকে লং উৎপন্ন হয়। লং থেকে মিষ্টি সুগন্ধ বের হয়। এটা হয় মূলত ইউজেনল নামক এক ধরণের উপাদানের জন্য। এর যেমন উপকারিতা রয়েছে তেমনি এর অপকারিতাও রয়েছে।

লবঙ্গ


লবঙ্গ বা লং এর উপকারিতা :

.লবঙ্গ সর্দি কাশি  দূর করে।

.শরীরে শক্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে।

.লবঙ্গ দাঁত মাড়িকে শক্ত করে তোলে।  এতে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়া অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। এই উপাদান দাঁতের ব্যাথা দূর করে। দাঁত মাড়িজনিত ব্যাথা হলে হালকা গরম পানিতে লবঙ্গ ভেজানো পানি দিয়ে কুলি করলে দাঁতের ব্যাথা দূর হয়।

.শীতকালীন সময়ে শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে তোলে।

.লবঙ্গ এর মধ্যে নাইজেরিসিন নামক এক ধরণের উপাদান রয়েছে। এই উপাদান রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে লবঙ্গ ডায়াবেটিকস রোগ নিরাময়ে ভালো কাজ করে। ডায়াবেটিকস রোগীরা দৈনিক একটি বা দুটি লবঙ্গ চিবেয়ে খেতে পারেন।

.লবঙ্গের তেল সাইনাসজনিত মাথাব্যাথায় ভালো কাজ করে।

.যেকোনো ধরণের বুকের ব্যাথায় লবঙ্গের তেল মালিশ করলে ব্যাথা দূর হয়।

.লবঙ্গ পাকস্থলীতে মিউকাস উৎপন্ন করে। এই মিউকাস আলসার এর হাত হতে পাকস্থলীকে রক্ষা করে।

.নিয়মিত দুটি করে লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে গ্যাস দূর হয়। গ্যাসের ট্যাবলেট না খেয়ে লবঙ্গ খেতে পারেন।

লবঙ্গের অপকারিতা :

অকারণে সবসময় লবঙ্গ মুখে দিয়ে রাখা উচিৎ নয়। কেননা ,লবঙ্গ রক্তে শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় তাই যাদের রক্তে শর্করার মাত্রা কম তাদের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে এই লবঙ্গ।

যাদের এলার্জিজনিত চুলকানি রয়েছে তাদের লবঙ্গ খাওয়া উচিৎ নয়। কারণ লবঙ্গ এলার্জির মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে।

 

লবঙ্গ অবশ্যই খাওয়া দরকার তবে এর অপকারিতার দিকটাও বিবেচনা করা দরকার।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ